সম্প্রতি কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে রাজশাহী থিম ওমর প্লাজা তে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। মোঃ আব্দুল আউয়াল ও সুমন সরকার নামের দুজন কর্মচারীর নাম সামনে আসে।
আমরা একটা বিষয় অবগত যে, প্রতিষ্ঠানটি রাজশাহী-১ আসনের সাবেক আওয়ামী লীগের এম পি ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি, তানোর গোদাগাড়ির মাদক সম্রাট ওমর ফারুক চৌধুরী দ্বারা পরিচালিত হয়ে এসেছে। বিগত ৫ই আগস্ট ২০২৪ইং তারিখে বিক্ষুবদ্ধ জনতার হামলা লুটপাটের পরবর্তী তে মার্কেটের সাধারন ব্যবসায়ী, দোকানমালিক, কর্মচারীগন এবং স্থানীয়দের সাহায্যে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করে। সেখানে এ দুজন কর্মচারীর ভূমিকা অস্বীকার করার মত নয়। এছাড়াও আগুন লেগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে পূনরায় সচল রাখতে অবদানের দাবিদার তারা। পরবর্তী তে কতৃপক্ষের পক্ষ থেকে উর্ধতন কর্মকর্তা ডি এমডি ও চিফ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ প্রদাণ করে প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ। ৩ থেকে ৪ মাস ভালোভাবেই চলছিলো। পরবর্তী তে সি এফ ও পদে নিয়োগ প্রদাণ করে প্রতিষ্ঠানটি। সিএফও এর নেতৃত্বে সুমন ও আউয়াল কে দিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম যেমন মার্কেটের মালিকবৃন্দ ও ব্যবসায়িদের সার্ভিসচার্জ বাবদ বর্ধিত টাকা উত্তোলন সহ মালামাল বাহিরে বিক্রি করে অর্থ কতৃপক্ষের এ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। নিজস্ব দোকানের সার্ভিসচার্জ অন্য ব্যবসায়িদের সার্ভিসচার্জের মধ্যে ভাগ করে চাপ সৃষ্টি করা শুরু হয়। এছাড়াও মেয়ে সেলসম্যান দের শ্লীলতা হানি সহ এসব কাজে কর্মচারীদের জড়িয়ে দূর্নাম সৃষ্টি করে কর্মচারীদের চাকুরী হতে অব্যাহতি দেয়া হতো। এসব তথ্য মালিকপক্ষ কে আরও রং চং লাগিয়ে জনাব ওমর ফারুক চৌধুরীকে নিয়মিত জানাতো এ্যাকাউন্স হাসনা আরা খাতুন। প্রতিষ্ঠানটির ভাড়া,সার্ভিসচার্জ সহ সকল হিসাব এ্যাকাউন্স অডিট এবং ক্যাশিয়ার গ্রহন ও প্রদান করতেন। এর সাথে সাধারণ কর্মচারী মোঃ আব্দুল আউয়াল (স্টোর ইনচার্জ) এবং সুমন সরকার (আইটি) এর কোনো সম্পর্ক নাই। কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস না প্রদান করে পালিয়ে যায় সি এফ ও। যার কারনে কর্তপক্ষের অসত উদ্দেশ্য পুরন হয় না। পরবর্তী তে কতৃপক্ষ সিইও পদে নিয়োগ প্রদাণ করে লেঃ কর্নেল জিল্লুর রহমান কে। উনার নিয়োগকৃত বাংলাদের আর্মির কিছু অবঃ প্রাপ্ত অফিসার সার্জেন্ট মোঃ ইউসুফ, সার্জেন্ট মোঃ আসাদ, সার্জেন্ট মোঃ আসাদ-২ এর সহায়তায় জিল্লুর এর নেতৃত্বে সার্ভিসচার্জে অপ্রয়োজনীয় টাকা সংযুক্ত করে দোকানদার ও ব্যবসায়িবৃন্দের নিকট চাপ প্রয়োগ করেন, Raffle Draw এর নামে অর্থ উত্তোলন করেন। জোর পূর্বক দোকান দখল, বিভিন্ন কোম্পানির সাথে নিজ ইচ্ছে মতো চুক্তি করে টাকা আত্মসাৎ করে। এসব অনিয়ম দূর্নীতির প্রতিবাদ করায় ডি এমডি সাহেব, মোঃ আব্দুল আউয়াল এবং সুমন সরকার কে চাকুরি হতে বেতন না দিয়ে জোরপূর্বক অব্যহতি দেয়া হয়। চিফ ইঞ্জিনিয়ার কে অনির্দিষ্টকালীন ছুটি প্রদান করা হয়।
পরবর্তী তে বেতনভাতা পরিশোধ না করায় আউয়াল এবং সুমন অফিসের নিচে অবস্থান করলে তাদের মেরে বের করে দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন সিইও জিল্লুর রহমান বলে জানা যায় সিকিউরিটির এক সদস্যের কাছে থেকে।
০৪.০১.২০২৬ ইং তারিখে মোঃ জাকিরুল ইসলামের প্রতিনিধি র সাথে সাক্ষাত হয় আওয়াল ও সুমনের। চাকুরিচ্যুত,বেতন না পাওয়া পরিবারের খরচের চাপ হঠাৎ চাকুরীর অফার তারা গ্রহন করে। পরবর্তীতে ০৫.০১.২৬ ইং তারিখ সকালে জনাব ওমর ফারুক চৌধুরীর নিয়োজিত আমমোক্তার জাকিরুল ইসলাম আইনগত কাগজ সহ পুবের কর্মস্থল উমরপ্লাজায় তাদের কে দ্বায়িত্ব প্রদান করে.. আর সেই কর্মস্থল বিপদ হয়ে দাড়াল ভুয়া নিঊজের কারনে।
মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ নামক একটি কোম্পানির মালিক জানিয়েছেন “সুমন ও আউয়াল পূর্বের কর্মচারী ছিলেন, তাদের চাকুরিচ্যুত করার বিষয়টি অবগত হওয়ায় পূনরায় তাদের জয়েনিং প্রদান করে সকল ব্যবসায়িক কার্যক্রম চলমান রাখতে ৫ জানুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে আমার ২ জন অফিস প্রতিনিধিসহ ওমর প্লাজার ৭তলা অফিসে প্রেরণ করি। চাবী সহ সকল ডেস্কের কাগজপত্র বুঝিয়ে নিয়ে পূর্বের কর্মচারীগনদের স্বসম্মানে বের করে দেয়া হয়। কিন্ত এর পরের লুটপাট ও মব সৃষ্টি করে অফিস দখলের অভিযোগটি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ”
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সুমন সরকার এবং মোঃ আব্দুল আউয়াল দুজনই তার কর্মচারী।
★ গত ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে জিল্লুর রহমান রাতের অন্ধকারে মালিকপক্ষের (ওমর ফারুক চৌধুরী) বন্ধ দোকানের সার্ভিসচার্জ বাবদ ৮ থেকে ৯ লক্ষটাকা, সার্ভিসচার্জ ও ভাড়া বাবদ কিছু দোকানের আনুমানিক ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে পরবর্তীতে ফিরে আসার নাম করে ঢাকা যান।
ঢাকা গিয়ে জিল্লুর রহমান বিভিন্ন নিউজপোর্টাল ও সংবাদ মাধ্যমে আউয়াল ও সুমন এর নামে অফিস হামলা,দখল,ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ দেন।
নিয়মিত বিভিন্ন নম্বর থেকে প্রতিদিন ফোনে হুমকি দেয়া হচ্ছে সুমন ও আউয়াল এর ব্যবহৃত নম্বরে।
এছাড়াও বি এন পি এর সম্মানিত নেতা রবিউল ইসলাম মিলু ও লিটু সাহেব এ বিষয়ে সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার করছে। এতে সম্মানীয় ব্যক্তিবর্গ সহ থিমের কর্মচারী কর্মকর্তাদের সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।
যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দন্ডনীয় অপরাধ। অবিলম্বে তথা কথিত সিইও লেঃ কর্নেল জিল্লুর রহমান, একাউন্স ইউসুফ আলী, সার্জেন্ট আসাদ-১, সার্জেন্ট আসাদ -২ কে আইনের আয়তায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সুমন ও আউয়াল নামের দুজন কর্মচারীবৃন্দ।
